প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জানুয়ারি ২০২৬
বন আইন লঙ্ঘনে কঠোর অভিযান: লামায় সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারের প্রমাণসহ সেগুন কাঠ ও পিকআপ জব্দ।
মোঃ নুরুল আলম ||
বন আইন লঙ্ঘনে কঠোর অভিযান: লামায় সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারের প্রমাণসহ সেগুন কাঠ ও পিকআপ জব্দ। বাংলাদেশ বন আইন, ১৯২৭ (সংশোধিত) ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় বনসম্পদ ধ্বংস ও অবৈধ কাঠ পাচারের গুরুতর অভিযোগে বান্দরবান জেলার লামা থানাধীন ০৫ নং সরই ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ডস্থ বুরাবুইন্যা পাড়া এলাকায় ডলুছড়ি বনবিভাগ ও কেয়াজুপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠসহ একটি পিকআপ গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৬ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ০২টা ঘটিকায় প্রাপ্ত নির্ভরযোগ্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ টহল দল সরই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পূর্ব পাশে অবস্থিত একটি লিচু বাগান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে কোনো বৈধ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপত্র, পরিবহন ছাড়পত্র কিংবা মালিকানার বৈধ দলিল ব্যতীত অবৈধভাবে বনজ সম্পদ পরিবহনরত অবস্থায় একটি মালিকবিহীন পিকআপ গাড়ি আটক করা হয়।পরবর্তীতে গাড়িটি তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে কর্তিত ২২ ফুট সেগুন কাঠ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয় যে, উদ্ধারকৃত সেগুন কাঠসমূহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল অথবা রাষ্ট্রীয় বনভূমি থেকে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পাচারের উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল। জব্দকৃত কাঠ ও পিকআপ গাড়িটির আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকা বলে বনবিভাগ প্রাথমিকভাবে নিরূপণ করেছে।অভিযানকালীন সময় গাড়িটির কোনো চালক, মালিক কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি, যা অপরাধ সংঘটনের পর আসামিদের পলায়নের সুস্পষ্ট আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উদ্ধারকৃত কাঠের বৈধ উৎস প্রমাণে কোনো ধরনের দলিলাদি উপস্থাপন করা সম্ভব না হওয়ায় বাংলাদেশ বন আইন অনুযায়ী কাঠসহ পিকআপ গাড়িটি জব্দপূর্বক ডলুছড়ি রেঞ্জের অধীন সরই বিট কর্মকর্তার কার্যালয়ে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে ডলুছড়ি রেঞ্জের সরই বিট কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল করিম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাটি একটি সংঘবদ্ধ বন অপরাধ হিসেবে প্রতীয়মান হওয়ায় বাংলাদেশ বন আইন, ১৯২৭ (সংশোধিত) এর সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা রুজু ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।বনবিভাগ আরও জানায়, রাষ্ট্রীয় বনসম্পদ রক্ষা, অবৈধ কাঠ কর্তন ও পাচার রোধে এ ধরনের কঠোর ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং বন আইনের আওতায় অপরাধীদের কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
উপদেষ্টা: লায়ন্স.ড.মোঃ আলী আকবর হোসেন
সম্পাদক ও প্রকাশক: লায়ন মোঃ সাইফুল চৌধুরী
সম্পাদক: সৈয়দ সাইফুল ইসলাম
নির্বাহী সম্পাদকঃ জাফর আলম
২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষি সময় সংগ্রাম