দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয় । গোলাম মোস্তফা( জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক এর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাঠ সংস্কারের নামে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন খাত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের একাধিক সহকারী শিক্ষকরা।
শিক্ষকরা বক্তব্যে বলেছেন যে বিদ্যালয় ছড়াবে শিক্ষার আলো সেখানে অনিয়ম-দুর্নীতির পাহাড়।
বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের নামে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা অনিয়ম বহির্ভূতভাবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক ও তৎকালীন এডহক কমিটির বিরুদ্ধে।
সহকারী শিক্ষকদের দাবি, একটি সরকারি প্রকল্পের আওতায় মাঠ সংস্কার করার কথা বলে পরিকল্পনাবিহীন ড্রেন নির্মাণের প্রায় এক মাস পর বিদ্যালয়ের নিজস্ব ২২টি ফান্ড থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। শুধু তাই নয়, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অডিটে বিদ্যালয়ের হিসাবপত্রে প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকার গরমিল ধরা পড়লেও এখনও তার কোনো সুরাহ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তার মুখে।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের গেট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নামেও প্রায় ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে চরম বিপর্যয়ের মুখে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সহকারী শিক্ষকদের অভিযোগ
“আমরা জানি সরকারি প্রকল্পে মাঠের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরে আবার মাঠ সংস্কারের নামে বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে ১৬ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে, যার কোন স্বচ্ছ হিসাব আমরা পাইনি।” “টিউশন ফি, উপবৃত্তির টাকা নির্ধারিত খাতে খরচ না করে অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ফান্ড পুরোপুরি শূন্য হয়ে গেছে।”
প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক বলেন ১৪ লক্ষ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
তৎকালীন সভাপতি ও ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসাহাক আলীর নির্দেশে।
এ বিষয়ে বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান জানান গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয় বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সহকারি শিক্ষকরা।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয় । গোলাম মোস্তফা( জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক এর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। মাঠ সংস্কারের নামে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ উত্তোলনসহ বিভিন্ন খাত থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয়ের একাধিক সহকারী শিক্ষকরা।
শিক্ষকরা বক্তব্যে বলেছেন যে বিদ্যালয় ছড়াবে শিক্ষার আলো সেখানে অনিয়ম-দুর্নীতির পাহাড়।
বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ সংস্কারের নামে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা অনিয়ম বহির্ভূতভাবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক ও তৎকালীন এডহক কমিটির বিরুদ্ধে।
সহকারী শিক্ষকদের দাবি, একটি সরকারি প্রকল্পের আওতায় মাঠ সংস্কার করার কথা বলে পরিকল্পনাবিহীন ড্রেন নির্মাণের প্রায় এক মাস পর বিদ্যালয়ের নিজস্ব ২২টি ফান্ড থেকে টাকা উত্তোলন করা হয়। শুধু তাই নয়, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অডিটে বিদ্যালয়ের হিসাবপত্রে প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকার গরমিল ধরা পড়লেও এখনও তার কোনো সুরাহ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এর ফলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও পড়েছেন অনিশ্চয়তার মুখে।
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের গেট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নামেও প্রায় ১২ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে চরম বিপর্যয়ের মুখে এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
সহকারী শিক্ষকদের অভিযোগ
“আমরা জানি সরকারি প্রকল্পে মাঠের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরে আবার মাঠ সংস্কারের নামে বিদ্যালয়ের ফান্ড থেকে ১৬ লক্ষ টাকা তোলা হয়েছে, যার কোন স্বচ্ছ হিসাব আমরা পাইনি।” “টিউশন ফি, উপবৃত্তির টাকা নির্ধারিত খাতে খরচ না করে অপ্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করা হয়েছে। এতে বিদ্যালয়ের ফান্ড পুরোপুরি শূন্য হয়ে গেছে।”
প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক বলেন ১৪ লক্ষ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
তৎকালীন সভাপতি ও ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসাহাক আলীর নির্দেশে।
এ বিষয়ে বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ হাসান জানান গোলাম মোস্তফা (জি.এম) পাইলট উচ্চ বিদযালয় বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সহকারি শিক্ষকরা।

আপনার মতামত লিখুন