৩১-শে জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি রোজ শনিবার, লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমবায় সমিতি লিঃ রেজি নং- ০৪/ বান্দরবান। রিক্সা চালক সমিতির ২০২২৫ সালের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ বাদশা মিয়া, সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মোজাম্মেল হোসেন সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জনাব মোঃ সুরুজ মিয়া, সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম গাজী, মেম্বার মোঃ হাবিল মিয়া, মেম্বার মোঃ মাঈন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি বাদশা মিয়া, সংবাদ সম্মেলন করে মিডিয়াকর্মীদের সামনে নির্বাচিত কমিটির সদস্য সেক্রেটারি মোঃ রবিউল হোসেন ও ক্যাশিয়ার মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ্ দুজনে সমিতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দৈনন্দিন সমিতির সদস্যদের কাছে ১০ টাকা হারে রশিদের মাধ্যমে সদস্যদের কাছ হইতে আদায় কৃত টাকা,রশিদ বই ব্যাংকের চেক সহকারে চুরিও আত্মসাৎ করেন, এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করলে থানা থেকে মীমাংসা করার জন্য এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে দায়িত্ব দেন,
স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা সেক্রেটারি রবিউল ও ক্যাশিয়ার সাখাওয়াত কে এবং তার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে সমিতির অফিসে মীমাংসার জন্য বসে এক পর্যায়ে তারা সম্পূর্ণ দোষী হিসেবে স্বীকার করেন এবং তারা অঙ্গীকারনামা দেন অফিসের সমস্ত ডকুমেন্টস পত্র ও আত্মসাৎ করে টাকা সমিতির সভাপতি বাদশার কাছে বুঝিয়ে দিবেন, এই মর্মে তারা উভয়ে সকলের সামনে স্বাক্ষর দেন এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ আর কখনো করবে না চুরি কৃত ও আত্মসাৎকৃত মাল পত্র সভাপতির কাছে কিছু বুঝিয়ে দেয় এবং চেক রশিদ বই টাকা একদিন পরে বুঝিয়ে দিবে বলে মীমাংসা সম্পন্ন হয় কিন্তু এরপর হইতে রবিউল ও সাখাওয়াত এক মিনিটের জন্য হলেও রিক্সা চালক সমবায় সমিতির অফিসে কারো সাথে যোগাযোগ করেননি।
সমিতির সভাপতি-বাদশা, সাধারণ সভা করে রবিউল ও সাখাওয়াতকে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ০৩-টি নোটিশ পাঠান,তারা সে নোটিশের কোন জবাব দেননি তারা উভয়ে মিলে সভাপতি অনুমতি ব্যতীত ব্যাংকে সমিতির জমানোর টাকা উড্ডায়ন করার অপ চেষ্টা করেছে, এক পর্যায়ে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জনাব সুরুজ মিয়া বিষয়টা জানতে পেরে সভাপতি কে অবগতি করলে সভাপতি তৎক্ষণাৎ ব্যাংকে গিয়ে ম্যানেজার সাহেবকে তাদের অপকর্মের ডকুমেন্টস পত্র জমা দেন, এবং সমিতির একটি টাকাও যেন কেউ উড্ডয়ন করতে না পারে ম্যানেজার সাহেব কে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। রবিউল এবং সাখাওয়াত উভয়ে যখন টাকা উড্ডয়ন করতে ব্যর্থ হয়, সেই হইতে সংগঠনে নির্বাচন করতে এসে যারা নির্বাচিত হতে পারেনি তাদের সাথে যোগসাজশ করে, সমিতির সভাপতি- ও বাকি নির্বাচিত সদস্যদের নামে মিথ্যে অপপ্রচার ও নানান ধরনের গুজব ছড়িয়ে সমিতি এবং সমিতির সদস্যদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেই চলেছে, সমিতির সভাপতি-বাদশা মিয়া বলেন তাদের সকল অভিযোগ মিথ্যে বানোয়াট,তাদের অভিযোগ কে অস্বীকার করে এবং তীব্র নিন্দা জানায় এবং একটা শূষ্ট তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সর্বশেষ সকল বিভাজন কলহর হাত থেকে মুক্ত করে সমিতিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন।

মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
৩১-শে জানুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি রোজ শনিবার, লামা উপজেলা রিক্সা চালক সমবায় সমিতি লিঃ রেজি নং- ০৪/ বান্দরবান। রিক্সা চালক সমিতির ২০২২৫ সালের নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি জনাব মোঃ বাদশা মিয়া, সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মোজাম্মেল হোসেন সোহাগ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জনাব মোঃ সুরুজ মিয়া, সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম গাজী, মেম্বার মোঃ হাবিল মিয়া, মেম্বার মোঃ মাঈন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি বাদশা মিয়া, সংবাদ সম্মেলন করে মিডিয়াকর্মীদের সামনে নির্বাচিত কমিটির সদস্য সেক্রেটারি মোঃ রবিউল হোসেন ও ক্যাশিয়ার মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ্ দুজনে সমিতির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও দৈনন্দিন সমিতির সদস্যদের কাছে ১০ টাকা হারে রশিদের মাধ্যমে সদস্যদের কাছ হইতে আদায় কৃত টাকা,রশিদ বই ব্যাংকের চেক সহকারে চুরিও আত্মসাৎ করেন, এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করলে থানা থেকে মীমাংসা করার জন্য এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় ব্যক্তিদের কাছে দায়িত্ব দেন,
স্থানীয় নেতৃবৃন্দরা সেক্রেটারি রবিউল ও ক্যাশিয়ার সাখাওয়াত কে এবং তার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে সমিতির অফিসে মীমাংসার জন্য বসে এক পর্যায়ে তারা সম্পূর্ণ দোষী হিসেবে স্বীকার করেন এবং তারা অঙ্গীকারনামা দেন অফিসের সমস্ত ডকুমেন্টস পত্র ও আত্মসাৎ করে টাকা সমিতির সভাপতি বাদশার কাছে বুঝিয়ে দিবেন, এই মর্মে তারা উভয়ে সকলের সামনে স্বাক্ষর দেন এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজ আর কখনো করবে না চুরি কৃত ও আত্মসাৎকৃত মাল পত্র সভাপতির কাছে কিছু বুঝিয়ে দেয় এবং চেক রশিদ বই টাকা একদিন পরে বুঝিয়ে দিবে বলে মীমাংসা সম্পন্ন হয় কিন্তু এরপর হইতে রবিউল ও সাখাওয়াত এক মিনিটের জন্য হলেও রিক্সা চালক সমবায় সমিতির অফিসে কারো সাথে যোগাযোগ করেননি।
সমিতির সভাপতি-বাদশা, সাধারণ সভা করে রবিউল ও সাখাওয়াতকে পোস্ট অফিসের মাধ্যমে ০৩-টি নোটিশ পাঠান,তারা সে নোটিশের কোন জবাব দেননি তারা উভয়ে মিলে সভাপতি অনুমতি ব্যতীত ব্যাংকে সমিতির জমানোর টাকা উড্ডায়ন করার অপ চেষ্টা করেছে, এক পর্যায়ে সমিতির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জনাব সুরুজ মিয়া বিষয়টা জানতে পেরে সভাপতি কে অবগতি করলে সভাপতি তৎক্ষণাৎ ব্যাংকে গিয়ে ম্যানেজার সাহেবকে তাদের অপকর্মের ডকুমেন্টস পত্র জমা দেন, এবং সমিতির একটি টাকাও যেন কেউ উড্ডয়ন করতে না পারে ম্যানেজার সাহেব কে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেন। রবিউল এবং সাখাওয়াত উভয়ে যখন টাকা উড্ডয়ন করতে ব্যর্থ হয়, সেই হইতে সংগঠনে নির্বাচন করতে এসে যারা নির্বাচিত হতে পারেনি তাদের সাথে যোগসাজশ করে, সমিতির সভাপতি- ও বাকি নির্বাচিত সদস্যদের নামে মিথ্যে অপপ্রচার ও নানান ধরনের গুজব ছড়িয়ে সমিতি এবং সমিতির সদস্যদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেই চলেছে, সমিতির সভাপতি-বাদশা মিয়া বলেন তাদের সকল অভিযোগ মিথ্যে বানোয়াট,তাদের অভিযোগ কে অস্বীকার করে এবং তীব্র নিন্দা জানায় এবং একটা শূষ্ট তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সর্বশেষ সকল বিভাজন কলহর হাত থেকে মুক্ত করে সমিতিকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন শেষ করেন।

আপনার মতামত লিখুন