আজ ১৩ জানুয়ারি, লায়নিজমের প্রতিষ্ঠাতা মেলভিন জোন্স-এর জন্মদিন। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি সেই মহান মানুষটিকে, যিনি মানবসেবাকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়ে একটি বিশ্বব্যাপী সেবাভিত্তিক আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।মেলভিন জোন্স এমন এক সময়ে একটি ব্যতিক্রমী ধারণা উপস্থাপন করেন, যখন সমাজে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত সাফল্যই ছিল মূল লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করতেন- সংগঠিত শক্তি যদি মানবকল্যাণে নিয়োজিত হয়, তবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি ১৯১৭ সালে শিকাগোতে ঐতিহাসিক এক সভার আহ্বান করেন, যা পরবর্তীতে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল-এর জন্ম দেয়।
তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, মানবিক দর্শন এবং অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল আনুষ্ঠানিকভাবে মেলভিন জোন্সকে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
মেলভিন জোন্স আমাদের শিখিয়েছেন এক অমর জীবনদর্শন “You can’t get very far until you start doing something for somebody else.”অর্থাৎ, অন্যের জন্য কিছু করা শুরু না করলে জীবনে খুব দূর এগোনো যায় না।
আজ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে লায়ন্স আন্দোলন মানবসেবার এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে।চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়া, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া-এই সকল সেবামূলক কার্যক্রমের মূলেই রয়েছে মেলভিন জোন্সের স্বপ্ন ও দর্শন।
তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে লায়ন্স সদস্যরা আজও অঙ্গীকারবদ্ধ
“We Serve”সেবার অঙ্গীকারে সর্বদা অবিচল।
লায়ন ওসমান গনি
রিজিয়ন চেয়ারপার্সন
হেড কোয়ার্টার এডমিন

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
আজ ১৩ জানুয়ারি, লায়নিজমের প্রতিষ্ঠাতা মেলভিন জোন্স-এর জন্মদিন। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি সেই মহান মানুষটিকে, যিনি মানবসেবাকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়ে একটি বিশ্বব্যাপী সেবাভিত্তিক আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।মেলভিন জোন্স এমন এক সময়ে একটি ব্যতিক্রমী ধারণা উপস্থাপন করেন, যখন সমাজে ব্যবসা ও ব্যক্তিগত সাফল্যই ছিল মূল লক্ষ্য। তিনি বিশ্বাস করতেন- সংগঠিত শক্তি যদি মানবকল্যাণে নিয়োজিত হয়, তবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি ১৯১৭ সালে শিকাগোতে ঐতিহাসিক এক সভার আহ্বান করেন, যা পরবর্তীতে লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল-এর জন্ম দেয়।
তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, মানবিক দর্শন এবং অবিস্মরণীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল আনুষ্ঠানিকভাবে মেলভিন জোন্সকে এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
মেলভিন জোন্স আমাদের শিখিয়েছেন এক অমর জীবনদর্শন “You can’t get very far until you start doing something for somebody else.”অর্থাৎ, অন্যের জন্য কিছু করা শুরু না করলে জীবনে খুব দূর এগোনো যায় না।
আজ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে লায়ন্স আন্দোলন মানবসেবার এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছে।চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়া, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানবতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া-এই সকল সেবামূলক কার্যক্রমের মূলেই রয়েছে মেলভিন জোন্সের স্বপ্ন ও দর্শন।
তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে লায়ন্স সদস্যরা আজও অঙ্গীকারবদ্ধ
“We Serve”সেবার অঙ্গীকারে সর্বদা অবিচল।
লায়ন ওসমান গনি
রিজিয়ন চেয়ারপার্সন
হেড কোয়ার্টার এডমিন

আপনার মতামত লিখুন