গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নিম্নমানের ইট ও উপকরণ ব্যবহার করে নির্মিত রাস্তা মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফাটল ধরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৪,৫,৬ ওয়ার্ডের মেম্বারহারিস ও গিয়াসউদ্দিন মেম্বার এলাকার অভ্যন্তরীণ ও সংযোগ সড়কগুলো সম্প্রতি ‘২ নম্বর ইট’ বা নিম্নমানের ব্লক দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হবার পরপরই রাস্তায় ফাটল দেখা দেয়, ইট ভেঙে যায় এবং কিছু অংশ ধসে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা রাস্তার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে আশাবাদী এলাকাবাসী এখন নতুন রাস্তারই অচলাবস্থায় পড়েছেন।
এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ট্রাক্টর চালাতে গেলেই ইট ভাঙছে, গাড়ি আটকে যাচ্ছে। এটা উন্নয়ন নয়, অপচয়।”
স্থানীয়রা ইউনিয়ন পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং নির্মাণ কাজে যথাযথ তদারকির অভাবের তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। একজন তরুণ স্থানীয়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “ঠিকাদার দরপত্র অনুযায়ী মানসম্পন্ন ইট কিনেছেন, নাকি কম দামের নিম্নমানের ইট কিনে অতিরিক্ত মুনাফা লুটেছেন? এখানে তদারকির অভাব স্পষ্ট।”
এলাকাবাসীর দাবির মধ্যে রয়েছে:
- ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার দ্রুত স্বাধীন তদন্ত।
- নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের দায়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
- ভেঙে পড়া রাস্তা মানসম্পন্ন উপকরণ দিয়ে পুনর্নির্মাণ।
- ভবিষ্যতের উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জনগণের করের টাকায় করা প্রকল্প নষ্ট হলে উন্নয়নের গতি ব্যাহত হবে এবং সরকারি কাজে মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে।
এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যরিস্টার সজিব আহমেদ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নিব।
এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইশতিয়াক হোসাইন উজ্জল জানান, “প্রকল্পের প্রথম কিস্তির বিল ছাড়করণ করা হয়েছে এবং ভিজিট চলমান। ফাইনাল কিস্তির বিল পরিশোধের পূর্বে আবার সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এলাকাবাসী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা কামনা করেছেন।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে নিম্নমানের ইট ও উপকরণ ব্যবহার করে নির্মিত রাস্তা মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ফাটল ধরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৪,৫,৬ ওয়ার্ডের মেম্বারহারিস ও গিয়াসউদ্দিন মেম্বার এলাকার অভ্যন্তরীণ ও সংযোগ সড়কগুলো সম্প্রতি ‘২ নম্বর ইট’ বা নিম্নমানের ব্লক দিয়ে পুনর্নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হবার পরপরই রাস্তায় ফাটল দেখা দেয়, ইট ভেঙে যায় এবং কিছু অংশ ধসে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচোরা রাস্তার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে আশাবাদী এলাকাবাসী এখন নতুন রাস্তারই অচলাবস্থায় পড়েছেন।
এক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ট্রাক্টর চালাতে গেলেই ইট ভাঙছে, গাড়ি আটকে যাচ্ছে। এটা উন্নয়ন নয়, অপচয়।”
স্থানীয়রা ইউনিয়ন পরিষদ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার এবং নির্মাণ কাজে যথাযথ তদারকির অভাবের তীব্র অভিযোগ তুলেছেন। একজন তরুণ স্থানীয়, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন, “ঠিকাদার দরপত্র অনুযায়ী মানসম্পন্ন ইট কিনেছেন, নাকি কম দামের নিম্নমানের ইট কিনে অতিরিক্ত মুনাফা লুটেছেন? এখানে তদারকির অভাব স্পষ্ট।”
এলাকাবাসীর দাবির মধ্যে রয়েছে:
- ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তার দ্রুত স্বাধীন তদন্ত।
- নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের দায়ে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা।
- ভেঙে পড়া রাস্তা মানসম্পন্ন উপকরণ দিয়ে পুনর্নির্মাণ।
- ভবিষ্যতের উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
স্থানীয় সুশীল সমাজের নেতারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, জনগণের করের টাকায় করা প্রকল্প নষ্ট হলে উন্নয়নের গতি ব্যাহত হবে এবং সরকারি কাজে মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হবে।
এ বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যরিস্টার সজিব আহমেদ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নিব।
এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ইশতিয়াক হোসাইন উজ্জল জানান, “প্রকল্পের প্রথম কিস্তির বিল ছাড়করণ করা হয়েছে এবং ভিজিট চলমান। ফাইনাল কিস্তির বিল পরিশোধের পূর্বে আবার সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এলাকাবাসী দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন